দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফোন না ধরায় তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টার ম্যানেজার ও এক বুকিং ক্লার্ককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগের শিকার দুজন হলেন তিতাস কমিউটার ট্রেনের টিকিট কাউন্টার ম্যানেজার মহিউদ্দিন আহমেদ সজীব ও বুকিং ক্লার্ক মো. কাউসার হোসেন।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা সানি দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে তিতাস কমিউটার ট্রেনের এজেন্টশিপ নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে ট্রেনটির ইজারাদার প্রতিষ্ঠান এতে সাড়া দেয়নি।
সোমবার সকালে সানি বুকিং ক্লার্ক কাউসার হোসেনকে ফোন করে তাঁর পরিচিত একজনকে দুটি টিকিট দেওয়ার কথা বলেন। পরে স্টাফ রুম থেকে টিকিট কাউন্টারে যাওয়ার পথে স্টেশন এলাকায় কয়েকজন টিকিট কালোবাজারির হাতে কাউসার মারধরের শিকার হন বলে অভিযোগ করা হয়।
এর কিছুক্ষণ পর সানি কয়েকবার কাউসারকে ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সানি স্টেশনের তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারে গিয়ে কাউসারের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়ান। একপর্যায়ে কাউন্টারে থাকা কাউসার ও ম্যানেজার সজীবকে চড়-থাপ্পড় মারার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে।
ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতার কথা জানিয়ে কাউন্টারের কর্মীরা কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর আবার টিকিট বিক্রি শুরু হয়। এ সময় যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগীরা ফাঁড়িতে এসে অভিযোগ করেছেন।
“লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে হামলাকারীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে,” বলেন তিনি।
তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন যুবদল নেতা নাজমুল হুদা সানি।
মুঠোফোনে তিনি বলেন, তিতাস কমিউটার ট্রেনের কাউন্টারের কর্মীরা কালোবাজারিদের কাছে বেশি দামে টিকিট বিক্রি করছিলেন এমন খবর পেয়ে তিনি স্টেশনে গিয়ে বিষয়টির প্রতিবাদ করেন। কাউকে মারধর করা হয়নি এবং তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’।
যে আই